পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এর ধারা ৮,
(১) কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন করিলে বা উৎপাদন করিবার জন্য অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করিয়া চুক্তিপত্র করিলে অথবা কোন নারী, পুরুষ বা শিশুকে অংশগ্রহণ করিতে বাধ্য করিলে অথবা কোন নারী, পুরুষ বা শিশুকে কোন প্রলোভনে অংশগ্রহণ করাইয়া তাহার জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে স্থির চিত্র, ভিডিও চিত্র বা চলচ্চিত্র ধারণ করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তির সামাজিক বা ব্যক্তি মর্যাদা হানি করিলে বা ভয়ভীতির মাধ্যমে অর্থ আদায় বা অন্য কোন সুবিধা আদায় বা কোন ব্যক্তির জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে ধারণকৃত কোন পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে মানসিক নির্যাতন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(৩) কোন ব্যক্তি ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইটবা মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ)…
View original post 175 more words
সাধ্যের মধ্য একটি বাড়ি বা ফ্লাটের মালিক হতে কে না চায়? আমরা অনেক চেষ্টা ও পরিকল্পনা করে একটি ফ্লাট বা বাড়ির মালিক হই। অনেকেই তাদের সারাজীবনের আয়ের একটি অংশ জমিয়ে জীবনের শেষ বেলায় এ স্বপ্ন পুরণে ব্রতি হয়।
যদি কোন ব্যক্তি কারো ক্ষতি করবার উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিনা কারণে বা আইনগত কোন কারণ না থাকার পরও অপরাধ সংগঠিত করেছে বলে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে ফৌজদারী মামলা বা অভিযোগ দায়ের করে বা কারো মাধ্যমে করায় তাহলে সেই ব্যক্তি আইনত অপরাধী হিসাবে গণ্য হবে।

